welcome to my blog

কোরআনের ও হাদিসের আলোকে নবী ও রাসূল  (সা.) এর অবমাননাকারীর শাস্তিঃ-

freeeducationbd22.



☞উপস্থাপনাঃ-

মহান আল্লাহ তা,আলা তাঁর বন্দাদের কে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্য, আল্লাহর হুকুম কি, তা কিভাবে পালন করতে হবে, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, জন্নাত লাভ করার জন্য কি কি করতে হবে। তা শিক্ষা দেওয়ার জন্য অসংখ্য নবী রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণ কে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। তাদের কে অবমাননা করলে কি শাস্তি হবে তা মহান আল্লাহ নির্ধারন করে রখেছে। আসুন সে গুলো সমর্পকে জেনে নি।



☞কোরআনের আলোকে নবী ও রাসূল  (সা.) এর অবমাননাকারীর শাস্তিঃ-


✪মহান আল্লাহ তাআলা বলেন✪, 

إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا 

وَالْآخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِينًا =


অর্থাৎঃ- নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে লানত করেন, 

এবং তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

(সূরা আল আহজাব, নং: ৫৭ আয়াত )


✪মাহান আল্লাহ আরো বলেন✪,

أَلَمْ يَعْلَمُوا أَنَّهُ مَنْ يُحَادِدِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَأَنَّ لَهُ نَارَ جَهَنَّمَ خَالِدًا فِيهَا ۚ ذَٰلِكَ الْخِزْيُ الْعَظِيمُ


অর্থঃ- তারা কি জানে না? যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরোধিতা করে, তার জন্য অবশ্যই জাহান্নাম, তাতে 

সে চিরকাল থাকবে। 

এটা মহালাঞ্ছনা।

(সূরা তাওবা, নং : ৬৩ আয়াত )


✪অন্য আয়াতে এসেছে✪, 

يُشَاقِقِ الرَّسُولَ مِن بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدَىٰ وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ ۖ وَسَاءَتْ مَصِيرًا


অর্থঃ- আর যে হিদায়াত পাওয়ার পর রাসুলের বিরুদ্ধে আচররণ করে এবং মুমিনদের পথের বিপরীত পথ অনুসরণ করে, 

আমি তাকে ফেরাব যেদিকে সে ফিরে 

এবং তাকে প্রবেশ করাব জাহান্নামে। 

আর আবাস হিসেবে তা খুবই খারাপ।

(সূরা নিসা, নং : ১১৫ আয়াত )



☞হাদিসের আলোকে নবী (সা.) এর অবমাননার শাস্তিঃ-


হাদীস শরিফে উল্লেখ আছ✪,

কাব বিন আশরাফ নামের একজন ইহুদি, সেই  ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি অত্যন্ত শত্রুতা ও হিংসা পোষণ করতো। সে হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে কষ্ট দিত, 

এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যভাবে যুদ্ধের হুমকি দিয়ে বেড়াত। এমনকি 

মদিনায় ফিরে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) গণের স্ত্রীদের ব্যাপারে বাজে কবিতা বলতে শুরু করে,

এবং কটূক্তির মাধ্যমে তাঁদের ভীষণ কষ্ট দিতে থাকে।

তার এ দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে রাসুল (সা.) তকে অর্থাৎ কাব বিন আশরাফকে হত্যার নির্দেশ দিলে মুহাম্মদ ইবনে মাসলামাহ (রা.) এর নেতৃত্বে কয়েকজন সাহাবি তাকে হত্যা করেন। 

রেফারেন্স,

(আর রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ২৮৫ )


✪অরেক হাদিসে বর্ণিত আছে✪

আবু রাফে নামক এক ইহুদি কে 

হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ কারণেই হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, 

সে রাসুল (সা.)-এর বিরুদ্ধে সব সময় কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করত। 

আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ‘আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া’ গ্রন্থে,

 ইমাম বুখারি (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) আবু রাফেকে হত্যা করার জন্য বেশ কজন আনসারি সাহাবিকে নির্বাচিত করলেন এবং বিশিস্ট সাহাবি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আতিক (রা.) কে তাঁদের দলপতি নিয়োগ করলেন।

রেফারেন্স,

(সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ৪০৩৯ ও ৪০৪০)।


✪অন্য হাদিসে আছে✪,

হযরত, মুজাহিদ (রহ.) বলেন, 

ওমর (রা.)-এর দরবারে এমন এক ব্যক্তিকে আনা হল, 

যে রাসুল (সা.) কে গালি দিয়েছে। 

হযরত ওমর (রা.) তাকে হত্যা করেন। অতঃপর বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ বা কোনো নবীকে গালি দেবে 

তোমরা তাকে হত্যা করবে। 

রেফারেন্স,

(আস-সারিমুল মাসলুল : ৪/৪১৯)



☞যারা নবী ও রাসূল (সা.) এর অবমাননা কারে তাদের শাস্তির ব্যাপারে শরিয়াহর সিদ্ধান্তঃ-


পতুয়া-১,

নবী করিম (সা.) এর অবমাননাকারীর শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 

এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা (ঐকমত্য) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 


আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন,

 সব মাজহাবের ঐকমত্যে সিদ্ধান্ত হলো যে,

নবী করিম (সা.) এর অবমাননাকারী কাফির, 

এবং তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 

উপরে উল্লিখিত আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্ট বোঝা যায়।


আরু জানুন,

রাসুল (সা.) এর শানে বেয়াদবিমূলক আচরন, মন্তব্য, বক্তব্য বা তাঁর প্রতি ঠাট্টা-বিদ্রূপকারী এবং ধর্মীয় কোনো বিধান নিয়ে ব্যঙ্গকারী ব্যক্তি উম্মতের সর্বোচ্চ ঐকমত্যে মুরতাদ বলে সাব্যস্ত হবে।


তাদের বিধান হলঃ-

১.  তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

২.  তবে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের দায়িত্ব শাসকদের।

৩.  শাসকগণের জন্য আবশ্যক হলো এ ধরনের লোকদের চিহ্নিত করে, 

বের করে আইনের মাধ্যমে তাদের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা।


☞শেষ কথাঃ-

কুরআন ও হাদিসের সহিহ আলোচনা থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, নবী রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণ কে অবমাননা করা যাবে না। যদি করে তার মৃত্যু দন্ড আবশ্যক, পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। 




বিঃদ্রঃ-

যে কোন দোয়া ও আমল শিক্ষার জন্য, 

☞এখানে ক্লিক করুন➤


আর যে কোন বিষয় সঠিক শিক্ষার জন্য

☞এখানে ক্লিক করুন➤


আর যে কোন বিষয় সঠিক টিউটোরিয়ালের জন্য,

☞এখানে ক্লিক করুন➤


আরো পড়ুনঃ-

আমাদের যে কোন ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

১. https://youtube.com/channel/UCtN6QntyWX6SL9IIr95K91w


২.https://youtube.com/c/AFTuneStudio


৩.https://youtube.com/c/Fulltutorial12



ধন্যবাদান্কেঃ-

Md.Faridul Alam
Free education bd22