welcome to my blog

 

  • জাতীয়
  • রাবাংলা

     

  • বিশ্ব
  •  

  • বিনোদন









  •  

  • খেলা
  •  

  • জীবনযাপন
  •  

  • ইসলামী জীবন
  •  

  • ভাইরাল
  •  

  • প্রথম পৃষ্ঠা
  •  

  • শেষ পৃষ্ঠা
  •  

  • খবর
  •  

  • শুভসংঘ
  • তাকবিরে তাশরিক এর গুরুত্ব ও ফজিলতঃ-
    তাকবিরে তাশরিক


    বুখারি শরিফের ব্যাখ্যাক আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি (রহ.) বলেন, যখন হজরত ইবরাহিম (আ.) স্বীয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি রাখলেন, এদিকে আল্লাহর নির্দেশে হজরত জিবরাঈল (আ.) আসমান থেকে একটি দুম্বা নিয়ে দুনিয়ায় আগমন করছিলেন। কিন্তু জিবরাঈল (আ.)-এর আশঙ্কা ছিল, তিনি দুনিয়াতে পৌঁছার আগেই ইবরাহিমআ.) জবাইপর্ব সমাপ্ত করে বসবেন।তখন তিনি আসমান থেকে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন : ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।’ ইবরাহিম (আ.) আওয়াজ শুনে আসমানের দিকে নজর ফেরাতেই দেখতে পেলেন জিবরাঈল (আ.) একটি দুম্বা নিয়ে আগমন করছেন। ফলে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে উঠলেন : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর।’ পিতার কণ্ঠে এই কালিমা শুনতেই ইসমাঈল (আ.) উচ্চারণ করলেন : ‘আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লহিল হামদ।’ একজন ফেরেশতা আর দুজন প্রিয় নবীর এ বাক্যমালা আল্লাহর খুব পছন্দ হয়। তাই কিয়ামত পর্যন্ত এই বাক্যমালা আইয়ামে তাশরিকে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়াকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন। (ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/১৭৮, ইনায়া শরহুল হিদায়া : ১/৪৬৪)

     

    তাকবিরে তাশরিকের ফজিলত

    মহান আল্লাহ বলেন, যেন তারা নির্দিষ্ট দিনগুলোতেআল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’ (সুা হজ, আয়াত : ২৮)

    বিখ্যাত সাহাবি মুফাসসির ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, এখানে ‘নির্দিষ্ট দিন বলতে ‘আইয়ামে তাশরিক’ ও ‘আল্লাহর স্মরণ’ বলতে তাকবিরে তাশরিক বোঝানো হয়েছে। (বুখারি, অধ্যায় দুই ঈদ)

    এখানে নির্দিষ্ট দিনসমূহ দ্বারা আইয়ামে তাশরিক উদ্দেশ্য এবং জিকির দ্বারা তাকবিরে তাশরিক উদ্দেশ্য। (ইবনে কাসির)

    াসুললাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, এই দিন গুলোতে তাকবিরের আমল ছাড়া আর কোনো

    আমল উত্তম নয়। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী করিম (সা.) বলেন, ‘জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ভিন্ন, যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়ে জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯৬৯)

     

    তাকবিরে তাশরিক সংক্রান্ত কিছু মাসায়ল

    তাশরিকের দিনগুলোতে প্রত্যেক ফরজ নামাজেরপর পুরুষদের ওপর উচ্চৈঃস্বরে একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। আর নারীরা নিচু স্বরে পড়বে,  যাতে নিজে শোনে। ( শামি : ২/১৭৮)

    ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়া হোক বা একাকী, ওয়াক্তের মধ্যে পড়া হোক বা কাজা, নামাজি ব্যক্তি মুকিম হোক বা মুসাফির, শহরের বাসিন্দা হোক বা গ্রামের—সবার ওপর ফরজ নামাজের পর একবার তাকবরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। (দুররে মুখতার : ২/১৮০) 

    ফরজ নামারজের পরএই তাকবির  বলতে ভূলে গেলে

    , স্মরণের সঙ্গে সঙ্গে তাকবির পড়ে নেবে। তবে  হ্যাঁ, নামাজের বিপরীত কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে গেলে, যেমন—কথা বলা, নামাজের স্থান থেকে উঠে পড়া ইত্যাদি হলে তাকবির বলতে হবে না, বরং ওয়াজিব ছুটে যাওয়ার কারণে আল্লাহর কাছে তওবা করবে। ( শামি : ৬/১৭৯)